Celebration of International Peace Day

On the occasion of International Peace Day on 21st September 2019 WPC, BRUR organised a day-long programme. Starting with a rally in the morning, a seminar, an essay competition; all ended with a prize-giving ceremony to the essay competition winners.

WPC BRUR Organized Skill Development Workshop

Women Peace Café,BRUR organized a skill development workshop on 29th July, 2019. Sessions on assignment writing, presentation skill etc. were conducted by several mentors of WPC. And finally all the participants were provided certificates

লকডাউন শিথিলতা ও করোনা মোকাবিলা

১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের কথা আমাদের প্রজন্ম বলতে পারি না, বই পড়ে জেনেছি। আসুন একবার মনে করা যাক – ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের কারণ হিসেবে বলা হয়ে থাকে বন্যা, বন্যার ফলে ফসলের ক্ষতি, সরকারি অব্যবস্থাপনা, অধিক জনসংখ্যা ইত্যাদি। সদ্য যুদ্ধ বিধস্ত নব্য স্বাধীন বাংলাদেশ যখন অর্থনীতি, রাজনীতি, সরকারনীতি, শিক্ষা নীতি কিছুই গুছিয়ে উঠতে পারে নি তখনই বড় একটা বন্যার কবলে পড়ে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। যার ফলস্বরূপ দেখা দেয় দুর্ভিক্ষ, অনেক মানুষ ক্ষুধার্ত অবস্থায় মারা যায়। লোক মুখে শুনেছি (দাদু, নানুদের কাছে) নোংগড় খানার একটি রুটির জন্য ৫/৭ কিমি হেটে গিয়ে রুটি আর আলুর দম খেয়ে আসতো। লাল রঙের রুটি, দিনে একবেলা খাবার, মানুষ মরে পচে আছে, বাতাসে পচা লাশের গন্ধ। মানুষের তখন অন্য কোন কিছুতেই নজর নেই, লোভ নেই টাকা পয়সা, প্রতিপত্তির। সবার মুখে হাহাকার কোথায় খাবার পাই, হাভাতে ওই লোকগুলো একমুঠো সাদা ভাত আর এক চিমটে লবণের জন্য নাকি সারাদিন কাজ করত। একবার ভাবুন?

ওতোদূরের কথা না চিন্তা করি, সমসাময়িক একটা ঘটনা মনে করিয়ে দেই। New York Times এ একজন প্রসিদ্ধ ফটোসাংবাদিকের তোলা দুর্ভিক্ষের একটি ছবি সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে। Kevin Carter ভদ্রলোক “The Struggling Girl” শিরোনামে (The Vulture and the Little Girl) যে ছবিটি প্রকাশ করে তাতে একটি ক্ষুধার্ত শিশুকে মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় আর পাশে একটি শকুন অপেক্ষা করছে তার প্রয়ণ ঘটার। ছবিটাতে দুর্ভিক্ষের আগা গোড়া স্পষ্টভাবে প্রতীয়তমান, ভদ্রলোক পুলিৎজার জিতেছেন।

হয়তো ভাবছেন শিরোনামের সাথে এসবের সম্পর্ক কি?? সম্পর্ক আছে বলেই ঘটনা দুটি বললাম। একটু ধৈর্য নিয়ে পড়বেন আশা করি।

৩১ শে মে ২০২০ হতে বাংলাদেশ সরকার গণপরিবহন চালুসহ সকল বিষয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তে সীমিত পরিসরে সব কিছু খুলে দিয়েছে, বাদ পড়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। এই ঘোষণা দেওয়ার পরেই টানা দুই দিন আক্রান্তের হার এবং মৃত্যুর হার সর্বোচ্চ। আর এ নিয়েই কিছু মানুষ আধা জল খেয়ে লেগে পড়েছে সরকারের এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করতে। যারা সমালোচনা করছেন – আপনাদের কাছে সমাধান আছে??? উত্তর – না, নেই। তাহলে সরকারের হাতে বিষয়টা ছেড়ে দিন। সরকারের নীতি নির্ধারকরা নিশ্চয় অথর্ব্য নয়, তারা সবাই বিশেষজ্ঞ। তাদের উপর ভরসা রাখুন। লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্তে আমি একমত। কেন একমত জানেন? আমি আমার মতামত শেয়ার করছি। আমার মতামত আমার মতামত।

অনেকেই বলছেন আক্রান্তের হার, মৃত্যুর হার আজ সর্বোচ্চ। অথচ সব খুলে দিলো কেন? আপনি কি নিউজে এটা পড়েন নি বা দেখেন নি সুস্থ্যও হয়েছেন সর্বোচ্চ যা ৫০০+? এটা কেন বলছেন না? আমরা নেতিবাচক দিকটা বেশি পছন্দ করি। অবশ্যই লকডাউন দরকারী এবং বর্তমানে সংক্রমন ঠেকানোর একমাত্র পথ। কিন্তু এটাও বুঝতে কোন সময় লক ডাউন জরুরি, কোন সময় তা কার্যকর করা উচিত। মার্চ ৮ থেকে এপ্রিল বা মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত লকডাউন কঠিনভাবে কার্যকর করতে পারলে হয়তো সংক্রমণ প্রতিহত করা যেত। কিন্তু যে কোন কারণে হোক আমরা শতভাগ লকডাউন কার্যকর করতে পারি নি, এমনকি কোন দেশ পেরেছে কিনা এমন তথ্য আমি পাই নি। তবে লকডাউন কার্যকর করতে দেশের সরকার, প্রশাসনের ভূমিকা ছিলো নজিরবিহীন ও চোখে পড়ার মতো। কিন্তু কতোদিন রাখবেন এ লক ডাউন? টীকা না আসা পর্যন্ত? একটা রোগের টিকা আবিষ্কার ও বাজারে আসতে ৩-৫ বছর লেগে যায়। অনেক রোগের এখনো টিকা আবিষ্কার হয় নি, যদি করোনারও না হয়? তাহলে অনন্তকাল লকডাউন চলবে? নিশ্চয় নয়, একদিন লকডাউন উঠে যাবে। বিশ্বে অন্যান্য অনেক দেশ লক ডাউন শিথিল করেছে, অর্থনীতি বাচাতে, দেশকে দুর্ভিক্ষ থেকে রক্ষা করতে।

একটা জরিপে পড়েছিলাম (ঠিক মনে নেই সোর্স), বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি ভয়ানক হলে প্রায় ৫ লক্ষ লোক মারা যেতে পারে, অপর এক জরিপে বলা হয়েছে লক ডাউন জুলাই- আগস্ট পর্যন্ত গেলে প্রায় ৬ কোটি মানুষ দরিদ্র হয়ে যাবে এবং খাবারের অভাবে মারা যাবে প্রায় ২ কোটির বেশি মানুষ। এখন বলুন কোনটা গণনা করা সহজ ৫ লাখ নাকি ২ কোটি? এবার বুঝতে চেষ্টা করুন।

যারা ভাবছেন এতো মানুষ গরীব নেই, তারা হয়তো ইটের দেয়ালের ভিতরে আছেন। এই কয়েকদিনের লক ডাউনে অনেক মানুষ না খেয়ে মারা গেছে, কেউ ত্রাণের ট্রাক ছিনতাই করেছে। যদি আপনার পরিবারে এই ৭০ দিনে খাবারের অভাব না পড়ে থাকে তাহলে আমি নির্বিঘ্নে বলতে পারি আপনার পরিবারে কেউ না কেউ চাকুরীজীবি অথবা বড় ব্যবসায়ী। তিন বেলা ঠিকমতো খেয়ে বাচতে পারছেন জন্যই আপনার কাছে লকডাউন তুলে দেয়ার কোন যৌক্তিকতা নেই।
দেশে ৭০ লাখ পরিবহন শ্রমিকের কল্যাণ ফান্ডের টাকা হয়তো কোন ভাবে আপনার পরিবারের বর্ধিত আয়ের উৎস, সেজন্যই তারা একটি টাকাও সে ফান্ড থেকে এই দুঃসময়ে সাহায্য পায় নি। কিংবা গার্মেন্টস সেক্টরের প্রণোদনার টাকা দিয়ে আপনার বাবা লক ডাউনের সময় পার করার জন্য আপনাকে নতুন প্লে স্টেশন কিনে দিয়ে নতুন হাই গ্রাফিক্সের কিছু এক্সপেনসিভ গেম ইন্সটল করে দিয়েছে, সেজন্য চাকুরী বাচাতে পেট বাচাতে গার্মেন্টস কর্মীরা পায়ে হেটে কর্মস্থলে ফিরেছে। এসিতে বসে আপনি বুঝবেন কি লকডাউনে কতোটা ক্ষতির সম্মুখীন আমরা।

এবার নিশ্চয় ভাবছেন বাচা আগে না খাওয়া আগে? জনাব, দুটোই পরিপূরক। বাচার জন্য খাওয়া, খাওয়ার জন্য বাচা। খানিকটা ডিম আগে না মুরগি আগে গল্পের মতো, আগে মুরগি বা ডিম যেটাই হোক মুরগি বেচে থাকা যেমন জরুরি তেমনি খাওয়া বেচে থাকার জন্য অপরিহার্য। নিশ্চয় বলছেন সরকারী ত্রাণ গেলো কই? সরকার যে পরিমাণ ত্রাণ দিয়েছে তা একটি পরিবারের সর্বোচ্চ ৭ দিনের খাবার। ৭ দিনের খাবার দিয়ে ৭০ দিন বন্দি রাখবেন, হাস্যকর হয়ে গেলো না? আমার গ্রামে একজনকেও ত্রাণ পেতে দেখি নি, তবে খাবারের অভাবে কলা গাছ সেদ্ধ খেতে শুনেছি। ভাবছেন ত্রাণ গেলো কই? আপনার বাবা যে আপনাকে নতুন মি১০ কিনে দিলো সে টাকা পেলো কই?

তাহলে কি আপনি বলতে চাচ্ছেন – পরিস্থিতি যতোই খারাপ হোক আপনি বেড়িয়ে পড়বেন, আরো লোককে আক্রান্ত করবেন? এই তো জায়গামতো প্রশ্ন করেছেন। আসুন কিছু বিষয় জানা যাক।

করোনা ভাইরাস SARS-Cov-2 গোত্রের একটি ভাইরাল রেসপিরেটরি ডিজিজ, যা মানুষের শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে প্রথমে গলার এবং পরে ফুসফুসে আক্রান্ত করে। ভয়ংকর ছোয়াচে এ রোগ প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৬৫ সালে, আকৃতি কিছুটা মুকুট (Crown) এর মতো হওয়ায় এর নামকরণ করা হয় করোনা ভাইরাস। আজ থেকে প্রায় ৫৫ বছর আগে এই রোগের গোড়াপত্তন, এটা নতুন কোন ভাইরাল ডিজিজ নয়। এর পর থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জিনগত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পরিলক্ষিত হয়। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী এই করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করে এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা সহ সারা বিশ্বে, ভাইরোলজিস্টরা এর নামকরণ করে নভেল করোনা ভাইরাস বা কোভিড – ১৯। এই প্রাথমিক তথ্যগুলো আমরা সবাই জানি। যখন প্রথম শনাক্ত হয়ে তখন – এ ভাইরাস কি, কিভাবে ছড়ায়, প্রতিকার কি, প্রতিরোধ করার উপায় এসব কিছুই জানা ছিলো না। এসব জানতে বুঝতে ততোদিনে চীন, আমেরিকা, ইতালি, স্পেন, জার্মানির অবস্থা নাজেহাল, অনেক মৃত্যু দেখতে হয়েছে। কিন্তু এইসব প্রশ্নের উত্তর এখন আমরা জানি, অপেক্ষা শুধু সঠিক ওষুধ আর টিকা আবিষ্কার করার। তাছাড়া দেখুন শেষ ১৫ দিনে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে। তাহলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ইতালি, স্পেনের মতো হবে এটা ভাবছেন কেন? মানুষ এখন অনেকটাই সচেতন – ‘অন্তত হাত ধোয় যা ৮০% করোনা মোকাবেলায় কাজ করে, অধিকাংশই মাস্ক পড়ে যা ১৫% করোনা প্রতিহত করে’ – এমনটাই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

দরকার কী তাহলে? সচেতনতা, সচেতনতা, সচেতনতা। লক ডাউন তুলে দিয়ে কি করল সেটা সরকারকে ভাবতে দিন। আপনি এটা নিয়ে ভাবুন – কিভাবে সচেতনতা বাড়ানো যায়, কিভাবে আপনি আপনার প্রতিবেশি, বন্ধু সমাজকে সচেতন করবেন। আমি আমার পরিবারের প্রত্যেককে সচেতন করেছি –
তারা নিয়মমতো হাত পরিষ্কার করে, মাস্ক ব্যবহার করে, দৈহিক দুরত্ব বজায় রাখে, যেখানে সেখানে থু থু ফেলে না, হাচি কাশির শিষ্টাচার মেনে চলে। আপনিও আপনার পরিবারকে সচেতন করুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। তাহলেও করোনাকে প্রতিহত করা যাবে।

কিছু পরিসংখ্যান লক্ষ্য করি –

৩১ মে, ২০২০ (সন্ধ্যা ৭.০০টা) পর্যন্ত Worldometer এর তথ্য মতে সারা বিশ্বে কোভিড-১৯ এ আক্রান্তের সংখ্যা ৬,১৯০,৭৬৭ জন, সুস্থ্য ২,৭৫৮,৯৭৭ জন, এবং মৃত্যু ৩৭১,৪৬৫ জন। যা মোট আক্রান্তের শতকরা বিচারে আরোগ্য লাভ ৮৮ শতাংশ এবং মৃত্যু ১২ শতাংশ। বিশ্বজুড়ে মৃদ্যু লক্ষণ নিয়ে কোভিড-১৯ পজেটিভ ৯৮% এবং মারাত্মক অবস্থায় ২%। বলে রাখি মৃদ্যু অবস্থায় যারা তাদের সুস্থ্য হওয়ার হার অনেক বেশি।

এবার আসি কিছু তুলনামূলক বিশ্লেষণে – সর্বাধিক কোভিড-১৯ আক্রান্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যার ০.৫৫%, ব্রাজিলের ০.২৪%, ইতালির ০.৩৯%, স্পেনের ০.৬২%, ভারতের ০.১৪%, চীনের ০.০০৫৮%, বাংলাদেশের ০.২৯% আক্রান্ত হয়েছে।
এই আক্রান্তের মধ্যে মারা গেছে যথাক্রমে ৫.৮%, ৫.৭৫%, ১৪.৩৩%, ৯.৪৮%, ২.৮৩%, ৫.৫৯%, ১.৩৮% এবং অপরদিকে সুস্থ হয়েছে যথাক্রমে ২৯.৪৫%, ৪০.৯১%, ৬৬.৯০%, ৬৮.৭৯%, ৪৭.৬০%, ৯৪.৩৪%, ২০.৭৪%। (তথ্যসূত্র: Worldometer)

এই পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে এটা বুঝতে পারা যায় – কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়া মানেই মরে যাওয়া নয়। কেননা, মৃত্যুর থেকে সুস্থতার হার কয়েকগুণ বেশি। তাই বলে কি করোনাকে পাত্তা দিব না? না এমন ভাবাটা বোকামি। দেশের হিসেবে মৃত্যুর ০.২৯% এর মধ্যে আপনি আমিও থাকতে পারি। তাহলে দরকার কি? সাবধানতা, সতর্কতা, সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। বাংলাদেশের জনসংখ্যার ০.২৯% কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত (সরকারি তথ্যমতে), অপরদিকে গণস্বাস্থ্যের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. বিজন এর মতে দেশের ৩০-৪০% জনসংখ্যা আক্রান্ত। তাহলে এতো জনসংখ্যা আক্রান্ত অথচ সেই তুলনায় হাসপাতালে রোগীর চাপ অনেক কম। তাহলে এতো রোগী কই গেলো? বাসাতেই সুস্থ্ হয়ে যাচ্ছে? তাহলে তো হার্ড ইমিউনিটি চিন্তা করাই যায়, অযৌক্তিক নয় মোটেও। আবার যদি মৃত্যের কথা চিন্তা করি মোট আক্রান্তের ১.৩৮% অনেকে বলেছেন সরকার তথ্য গোপন করেছেন, কেউ বলেছেন সঠিক হিসাব হচ্ছে না। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম সংবাদ প্রচার করেছে। হ্যা, এটা সত্যি সব তথ্য পাওয়া যায় না। আমার জানা একজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ায় কাউকে না জানিয়ে ৫/১০ জন পরিবারের লোক মিলে দাফন করেছে – এ রকম অনেক আছে। সরকারি তথ্য মতে- এ পর্যন্ত মৃত্যু ৬৫০, আচ্ছা ধরুন সব মিলিয়ে ১৫০০ তবুও সেটা ৩.৮১% এসে দাড়ায় যা যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, ইতালি, স্পেন, চীনের তুলনায় ঢেড় কম। সুতরাং আমাদের মনোবল শক্ত রাখা উচিত।

অতএব, আসুন সবাই সরকারি নির্দেশনা মেনে চলি। নিজে সতর্ক থাকি, অন্যদের সচেতন করি। মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহার করি, সাবান দিয়ে ঘনঘন হাত পরিষ্কার করি, দৈহিক দুতত্ব বজায় রাখি, জনসমাগম এড়িয়ে চলি, যেখানে সেখানে থু থু ফেলার অভ্যাস পরিহার করি, হাত না ধুয়ে নাকে মুখে হাত দেয়ার অভ্যাস পরিহার করি। সর্বোপরি মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রাণ খুলে দোয়া করি ও রোগ মুক্তি কামনা করি, নিশ্চয় আল্লাহ বিশ্বাসীদের ফিরিয়ে দিতে জানেন না।

 

মো: রোকনুজ্জামান রোকন
ভলান্টিয়ার
উইমেন পিস ক্যাফে
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর

লকডাউন এবং মানসিক প্রশান্তি

‘সময় হল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যেখানে আমরা শিখি ; সময় হল আগুন যাতে আমরা জ্বলি।’
– ডেলমোর সুয়ারটয

এই পৃথিবীতে আমাদের অনেক কিছু নেই বলে আমরা অভিযোগ করি।আমরা হতাশায় ভুগি, আমরা মনে করি আমাদের কেউ নেই, কিছু নেই। কিন্তু একবার ভেবে দেখুন তো, আমরা কি আমাদের জীবনে ‘সময়টাকে’ উপহার হিসেবে পাইনি? আজ সকালে যে সূর্য পূর্ব আকাশে উদিত হয়েছে তাকে দেখার সৌভাগ্য কি আমাদের হয়নি? হয়েছে! গতকাল রাত আমাদের শেষ রাত হয়নি এটিও আমাদের সৌভাগ্য!

পুরো বিশ্ব আজ করোনা নামক মহামারী তে আক্রান্ত! স্থবির হয়ে পড়েছে জীবনযাত্রা। লকডাউন নামক এক গৃহবন্দি জীবন পার করছি আমরা। যান্ত্রিকতার এই আধুনিক জীবনে একাকিত্ব অনুভব করেন না এমন মানুষের সংখ্যা বোধহয় খুব কম ! ভালোথাকার জন্য সবথেকে বেশি যে জিনিষটার যত্ন নেওয়া প্রয়োজন তা হলো মানসিক স্বাস্থ্য। কিন্তু বেদনাদায়ক হলেও সত্যি যে,আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে উদাসীন। যত দিন যাচ্ছে, ততোই এটা স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হচ্ছে। বর্তমান মহামানী করোনা ভাইরাস শুধু একটি নাম নয়, মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন রোগের সৃষ্টিকারী এক আতঙ্ক।

পাশ্চাত্য দেশগুলোতে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় যেটা আমাদের দেশে প্রায় নেই বললেই চলে। আমার এ ক্ষুদ্র জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আমার খুব বেশি জ্ঞান নেই।কিন্তু আমি চাই,আমার আশপাশের মানুষগুলো,আমার কাছের মানুষগুলো যেন মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন হয়, ডিপ্রেসন,স্ট্রেস কিংবা এংজাইটির মতো মানসিক বিষয়গুলো খুব যত্ন সহকারে মোকাবেলা করে।

পুরো পৃথিবী আজ এক খারাপ সময় অতিবাহিত করছে। আর গৃহবন্দি এ দিনগুলোতে মানসিক স্বাস্থ্য অনেকটা হুমকির মুখে। গৃহকোণে বন্দি হয়ে মনের মাঝে অসুস্থতা সৃষ্টি হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাই সর্বোপরি আমাদের উচিত নিজেকে ব্যস্ত রাখা বা নিজের দক্ষতা বাড়ানো। নিজেকে ব্যস্ত রাখার মাঝেই মানসিক প্রশান্তি নিহিত। কারণ মনের সুস্থতাই আসল সুস্থতা।

এসব থেকে বেরিয়ে আসতে সর্বপ্রথম যে কাজটা আমাদের করতে হবে তা হল নির্দিষ্ট একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা। যাকে আমরা রুটিন মাফিক জীবন বলে থাকি।এছাড়াও প্রতিদিন নিয়ম করে বিভিন্ন বই পড়া,লেখালেখি করা,রান্না করা,ছবি আঁকা,গান শোনা, ইন্টারনেটের ভালো বিষয়গুলো ব্যবহার করা এবং আয়ত্ব করা,নিয়মিত যোগ ব্যায়াম করা ইত্যাদি। যে কথাটি না বললেই নয় তা হল সবাই সবার সাথে স্রষ্টার কৃতজ্ঞতা শিকার করেও আমরা দিন শুরু করতে পারি। এছাড়াও প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার যেন আসক্তির পর্যায়ে না যায় সেদিকেও আমাদের খেয়াল রাখা উচিত বলে আমি মনে করি।

সর্বোপরি নিজের মনের যত্ন নিন,গুরুত্ব দিন মানসিক স্বাস্থ্যের উপর। যা ভালোলাগে তাই করুন এবং নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন।

গৃহবন্দি এ দিনগুলোতে মনটা যেন বন্দি না হয়,মুক্ত থাকুক মনটা।

 

– সূহা নোমান
এক্সিকিউটিভ মেম্বার।
উইমেন পিস ক্যাফে,বেরোবি।

Inauguration of Women Peace Cafe at Begum Rokeya University

Event Name

Inauguration of Women Peace Cafe at Begum Rokeya University

Date

10th of March 2019

Event Location

Begum Rokeya University Rangpur

The Centre for Peace and Justice (CPJ) of Brac University launched Women Peace Café at Begum Rokeya University Rangpur on 10th of March 2019 under Empowered Women, Peaceful Communities Project with support of UN Women.

The establishment of the Women Peace Café is an innovative and pioneering initiative to engage young female students in the promotion of peace and cohesion in society. This Women Peace Café will work as a platform as well as an incubation centre for one hundred and sixty-one female students of BRUR who recently completed 3 –day training on Entrepreneurship Skills organized by CPJ under this project. This cafe will empower young women through nurturing innovation for social entrepreneurship development promoting peaceful, cohesive and prosperous Bangladesh.

Inauguration of Women Peace Cafe at Begum Rokeya University

The Centre for Peace and Justice (CPJ) of Brac University launched Women Peace Café at Begum Rokeya University Rangpur on 10th of March 2019 under Empowered Women, Peaceful Communities Project with support of UN Women.

The establishment of the Women Peace Café is an innovative and pioneering initiative to engage young female students in the promotion of peace and cohesion in society. This Women Peace Café will work as a platform as well as an incubation centre for one hundred and sixty-one female students of BRUR who recently completed 3 –day training on Entrepreneurship Skills organized by CPJ under this project. This cafe will empower young women through nurturing innovation for social entrepreneurship development promoting peaceful, cohesive and prosperous Bangladesh.

The Café was jointly inaugurated by Ms. Shoko Ishikawa, Country Representative of UN Women Bangladesh, Prof. Dr. Nazmul Ahsan Kalimullah, Vice Chancellor of BRUR, and Barrister Manzoor Hasan OBE, Executive Director of CPJ, Brac University in a ceremonial and festive mode. The chief guests, guests of honour and other guests inaugurated the Peace Café by releasing pigeons and opening the Café office for students. Dr. Samia Huq, Associate Professor, Department of Economics and Social Sciences, Brac University dignified the occasion as guests of honour while Muhammad Badiuzzaman, Research Coordinator of CPJ and Coordinator of this project was also present. The establishment of this Café is an outcome of a project jointly implemented by CPJ of Brac University and Dr. Wazed Research and Training Institute of BRUR with the financial support of UN Women Bangladesh. To be noted that CPJ is implementing this project in two public universities; Begum Rokeya University Rangpur and Jatiya Kabi Kazi Nazrul Islam University, Mymensingh since June 2018.

On this memorable occasion, Women Peace Café of BRUR organised several events; a drawing competition on ‘Women for Peace, Cohesion and Prosperity’; collecting International Women’s Day pledges from students of BRUR, an exhibition of drawings on “River of Life”, rally for the celebration of International Women’s Day and a valedictory session where the designated guests discussed the importance of such kind of initiatives with the youths and in the regional universities outside the capital, Dhaka. The session was concluded by handing over the seed funds to the Women Peace Café members to bring their innovative business ideas into reality. In line with these activities, a social media campaign was also initiated on Facebook to celebrate the launching of Café and International Women Day 2019.

The whole campus of BRUR was in festive mode where a large number of students and faculty members of BRUR participated. A team from UN Women, and faculty members of Jatiya Kabi Kazi Nazrul Islam University, Mymensingh were present in the event as designated guests.

A national colloquium will be held on 30th of March 2019 at BRAC Centre Inn where the findings and learning of the project will be shared with national and international level stakeholders and policymakers.

WPC BRUR Celebrated the International Women’s Day

Women Peace Cafe, Begum Rokeya University, Rangpur (BRUR) celebrated the International Women’s Day on 8 March, 2020. The celebration had more than 400 participants through a series of events such as cycling rally, debate, chess & photography contest, taekwondo training display and discussion meeting with its newly established Women Peace Cafés (WPC) at Begum Rokeya University, Rangpur (BRUR) and Jatiya Kabi Kazi Nazrul Islam University, Mymensingh (JKKNIU). Vice President International and Interim Head of HR of Brac University, Mr. Jonathan Cartmell and the Executive Director of the Centre for Peace and Justice Barrister Manzoor Hasan participated as the special guests to the celebration of BRUR campus. The speakers and guests discussed the importance of the day for women empowerment and generation equality. They have appreciated the WPC activities and urged the sustainable operation of the café without donor dependency in the future.

The guests and participants of both WPC have projected the theme of this year’s Women’s Day “I am Generation Equality: Realizing Women’s Rights” through placards, banners, festoons and t-shirts.

CPJ has facilitated the establishment of WPC at two regional universities. This is an innovative and pioneering initiative to engage young female students for promoting peace and cohesion in society under ‘Empowered Women’ and ‘Peaceful Communities’ projects. Both projects are supported by UN Women Bangladesh. Mr. Zia Uddin has been coordinating the WPC initiatives and the celebration of this day at both JKKNIU and BRUR campus as a project manager of Empowered Women Peaceful Communities Project at CPJ.

On the occasion of the International Women’s Day, both WPC’s undertaken a number of initiatives to create awareness among both male and female students. WPC BRUR organized a debate competition on Women’s Peace and Security, taekwondo training by 80 students who received a 3-month long training from WPC, photography competition on Empowered Women, launching of the WPC website, magazine and brochure and photography exhibition on the yearlong activities of WPC.

On the occasion of the celebration, the WPC BRUR has awarded certificates to 40 students who completed a 3-month long training by WPC BRUR.

To commemorate the pioneer of women’s rights and empowerment in South Asia, Begum Rokeya, the delegation of CPJ BracU along with selected mentors and members of WPCs visited the Begum Rokeya Memorial Centre at Pairabond, Rangpur.

Launching of Women Peace Café

Event Name

Launching of Women Peace Café, Jatiya Kabi Kazi Nazrul Islam University (JKKNIU)

Date

28th November, 2019

Event Location

JKKNIU Campus, Mymensingh, Bangladesh

Prepared By: Zia Uddin, Project Manager and Nahida Akter, Research Associate

 

On November 28th, 2019, Centre for Peace and Justice (CPJ), Brac University, has organized a grand launching ceremony of its 2nd Women Peace Café at Jatiya kabi Kazi Nazrul Islam University (JKKNIU), Mymensingh. CPJ has facilitated the establishment of Women Peace Café at two regional universities as an innovative and pioneering initiative to engage young female students in promotion of peace and cohesion in the society under Empowered Women, Peaceful Communities Project in support of UN Women Bangladesh.

The launching ceremony of Women Peace Café at JKKNIU was commenced by releasing doves and unveiling plaque of the Café on 28th November. Then, the guest along with selected participants have visited the photography and drawing exhibition on peaceful and inclusive society organized by WPC members at ground floor of JKKNIU Central Library. They were amazed to see students’ creative side and how they have portrayed women, peace and cohesion through their imagination and creativity.